ভাত

  আলম জাহাঙ্গীর

                                    (সারাংশ)

ঘড়ির কাঁটা যতই ঘুরে জীবনের রশি টা ততোই ছোট হতে থাকে । ছোট হতে হতে শেষ হলে পরে আমরা পরিনত হই জড় পদার্থে , যার কোন চাপ থাকার নিয়ম নেই পৃথিবীতে ।
জীব হয়ে কান্নার শব্দে চাপ প্রয়োগে পৃথিবীতে এসেই অধিকারের সুর বাজাই , না বুঝে ডুব দিই   অদৃশ্য সমুদ্রে , ভূলে যাই কে আমি ? কোথায় ছিলাম ? কেন এবং কিভাবে এই পৃথিবীতে এলাম ?
সৃষ্টিকারীর সৃষ্টির কিছু উদ্দেশ্য থাকে । আমি ভূলে যাই আমিও সৃষ্টিকারীর সৃষ্টিকর্ম ,  ভূলে যাই সৃষ্টিকর্মের সেই উদ্দেশ্য  দায়িত্ব ও সীমাবদ্ধতা ।

সূর্যটা ডুবে গেলে সূর্য উদয়ের অপেক্ষায় থাকি নতুন কিছুর আশায় । অনুশোচনা বোধটা ঘুমিয়ে রাখি যেন বুঝতে না দেয় ডুবে যাওয়া সূর্য টা কি ছিল ? অথবা কতগুলো সূর্য ডুবে গেছে বাকি আছে কি ?
না বুঝে সূর্য উদয়ের অপেক্ষায় থাকি হাতের দামি ঘড়ির মূল্য না বুঝে অথবা চোখের সামনে দেয়াল ঘড়ি টা কে দেয়ালের শোভাবর্ধক ভেবে । জিবনে বার বার কারনে অকারণে ঘড়ি বা ঘড়ির সংখ্যার  প্রয়োজন হয় তবুও একটি বার মূল প্রয়োজন টা ভাবনার কোথাও আসে না বা আসার প্রয়োজন মনে করি না । কারন -

আমি এখনো ভাত খাই দুবেলা । ঝোল ঝোল তরকারি মাখানো ভাত খাই শুধু । আমার এখনো ভাত খাওয়া শেষ হয়নি বলে আমি বেচে আছি । কারন আমি শুধু  ভাত খেতে  এই পৃথিবীতে এসেছি ।
আমি মানুষ  আমার ভাত ও তরকারি  চাই । শুধু চাই চাই

Comments

Popular posts from this blog

নগর-পরিকল্পনা

মানুষকে কীভাবে বিশ্লেষণ করবেন