Posts

Showing posts from March, 2020
কনফার্মেশন বায়াস: যে প্রবণতা আপনার চিন্তাভাবনাকে একপেশে করে তোলে যেকোনো প্রকার তর্ক-বিতর্কের সময়  পারস্পরিক যুক্তি বিনিময় করতে গিয়ে আমরা সবসময়ই নতুন কিছু জিনিস শিখি কিংবা যার সাথে আমরা যুক্তি বিনিময় করছি, তার ব্যক্তিত্বের প্রকৃতি সম্পর্কে একটি ধারণা পেয়ে থাকি। আপনারা খেয়াল করে থাকবেন, তর্ক-বিতর্কের সময় সবার মধ্যেই একটি প্রবণতা থাকে, যে করেই হোক নিজের অবস্থানকে সঠিক প্রমাণ করার জন্য উপযুক্ত যুক্তি দেওয়া এবং সে যুক্তির পক্ষে তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা। এটা করতে গিয়ে কেউই ‘শতভাগ’ নিরপেক্ষ থাকতে পারে না; অতি সামান্য মাত্রায় হলেও অসততার বা প্রতারণার আশ্রয় নেয়। কাজটা হতে পারে ইচ্ছাকৃতভাবে কিংবা খানিকটা নিজের অজ্ঞাতসারেই। তবে নিজের অজান্তে হলেও, সেটা ধরতে পারা খুব কঠিন কিছু নয়। তর্কে জেতাটাকেই অনেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। তবে যাদের মধ্যে কনফার্মেশন বায়াস প্রবল, তাদের সাথে যেকোনো প্রকার তর্কে জেতা প্রায় অসম্ভব একটি ব্যাপার; Image source: ted.com অথবা ভিন্ন আরেকটা পরিস্থিতির কথা ভাবুন; ধরে নিন, আপনি ‘একনায়কতন্ত্রে’ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন এবং মনে করেন, একনায়কতন্ত্রই একটি রাষ্ট্রকে সম...
Image
প্রকৃতির প্রতিশোধ: জলবায়ু পরিবর্তন এবং COVID-19 ইভাগেল্লোস ভ্যালিয়ানাটোস  অনুবাদ : আলম জাহাঙ্গীর করোনার ভাইরাস মহামারীটি কোনও দুর্ঘটনা নয়। বিগত বিশ্বব্যাপী মহামারীগুলির মতো এটিও একটি সতর্কবার্তা যে প্রকৃতির মানুষের ইকোসিডাল প্রবর্তনের সাথে এটি ছিল। এই বিদ্বেষমূলক ক্রিয়াগুলি জলবায়ু পরিবর্তন করছে এবং গ্রহ পৃথিবীকে উষ্ণ করছে এবং হুমকির মধ্যে ফেলেছে। প্রকৃতি (পৃথিবী) আবার লড়াই করছে। জলবায়ু পরিবর্তন মহামারী রোগ বপন করছে। আমেরিকায় করোনার ভাইরাস দীর্ঘকাল ছড়িয়ে পড়া মৃত্যুর জন্য কোনও ভ্যাকসিন ব্লক হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষের মতো আমেরিকানরাও মহামারীটির বিস্তৃত তাত্পর্য দেখতে ব্যর্থ হয়। এছাড়াও, ট্রাম্প এবং তার সাইডিকিক, মাইক পেন্স ভাইরাস সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিলেন। অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল  ব্যারি ম্যাকক্যাফ্রে "ট্রাম্প] প্রশাসনে পেন্স এবং অন্যদের দ্বারা বিদ্রোহী শব্দচয়নকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছিলেন ... এই সমস্ত বিষয়ে 'শীর্ষস্থানীয় নেতা' অনুরাগের প্রতিধ্বনি রয়েছে। ট্রাম্প যে এই ধরণের ভ্রান্ত ভক্ত অ্যানথ্রোপসিনের খপ্পরে আতঙ্ক...
Image
আলম জাহাঙ্গীর  গ্রাফিতি। একটা কাউন্টার-কালচারের নাম। বুজুর্গগণ ইদানিং বলছেন- পাঙ্ক কালচারের পর সবচেয়ে চর্চিত জীবনযাপন পদ্ধতি হলো গ্রাফিতি এই শিল্পীদের কাছে পৃথিবীর সব দেয়ালই একেকটা ক্যানভাস। প্রচলিত নীতি বা সিদ্ধান্তের শৈল্পিক প্রতিবাদের মধ্যে দিয়ে চলমান ইস্যুকে সবার নজরে আনতে গ্রাফিতির রয়েছে স্বতঃস্ফূর্ত ভূমিকা। ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকা যে দেয়ালের শুধু শ্রবণক্ষমতা ছিল, তার মুখে এখন বোল ফুটেছে। সময়ের মতি-গতিকে পরিহাস করা একেকটা গ্রাফিতি যেন শহরের শরীরে খোদাই করা একেকেটা ট্যাটু। এই ট্যাটু কারিগরদের বলা হয়ে থাকে ‘গেরিলা আর্টিস্ট’। গেরিলা যোদ্ধাদের মত তাদেরও যে ঝোপ বুঝে কোপ মারতে হয়। রাতের আঁধারে টার্গেট করা দেওয়ালের গায়ে আর্টওয়ার্ক সাঁটিয়ে দিয়েই চম্পট দিতে ওস্তাদ এই লাইনের বান্দারা।  সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের কিছু কিছু দেশ ‘গ্রাফিতি’কে বৈধ করেছে শর্তসাপেক্ষে; ধরা যাক, ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোর কথা, সেখানে রিও পৌরসভার অনুশাসন অনুযায়ী কিছু বাছাই- এবং তালিকাবদ্ধ- সরকারি ভবন ছাড়া বাকি সব প্রকাশ্য স্থানে দেয়াল অঙ্কন চলবে; তবে সেই সব গ্রাফিতি বাণিজ্যিক, যৌনরসাত্মক, জাতিবাদী কিং...